জীবনের প্রথম চোদার অভিজ্ঞতা পার্ট - ১:
ঘটনাটি আমার স্কুল জীবনের। তখন সাল ২০০৭, অনেকেই এমপিফোর চলে এমন মোবাইল কিনেছে। আমার বাবা ও একটি নিয়েছিলো। আমরা মধ্যবিত্ত পরিবার। যাইহোক, একদিন মোবইলে গান দেখতে গিয়ে প্রথমবার চোদাচুদির ভিডিও দেখি। আমার চোখ তো ছানাবড়া হয়ে গিয়েছিল। কেবল তখন আমার বাল গজিয়েছে। আমি তখন ক্লাস সেভেনে। শুরু হলো আমার বাড়া খেচানো। আমি গান গাইতাম। এই সুবাদে নিচের ক্লাসের একটা মেয়ের সাথে পরিচয় হয়। সে ও আমার সাথে গান শিখতে যেত। একদিন আমাদের স্কুলের শিক্ষক বলে আজকে তোমরা দুজনে পরে বাড়িতে যাও। গান প্রাকটিস করো , আগামীকাল অনুষ্ঠান আছে। তিনি আমাদের খাওয়ার জন্য টাকা ও দিলো। সবাই চলে গেলেও আমাদের দেরি হয়। তারপরে বের হবো সে সময় বৃষ্টি আসে। দুজনে তাড়াহুড়ো করে ক্লাসে যাই। স্কুলে কেউ না থাকায় আমি ভাবতে থাকি কিভাবে মেয়েটাকে চোদা যায়। মেয়েটির নাম প্রীতি। চিকন গঠন, কেবল দুধ বড় হয়েছে। দেখতে অনেক সুন্দর। বর্জ্যপাতের শব্দ শুনে সে আমার হাত ধরে বসে। আমার হাত তার দুধে স্পর্শ করছিলো। আমি ইচ্ছা করে আরো বেশি চাপ দিচ্ছিলাম। আমার বাড়া একদম খাড়া হয়ে যায়। সহ্য করতে না পেরে ভয় রেখে বলি তোমার দুধ অনেক নরম। একটু টিপলাম। দেরি না করেই ময়দার মতো মাখতে লাগলাম। আর এক হাতে তার ভোদার কাপড়ের উপড়ে হাত বোলাতে থাকি। ঠোটে কিস করতে করতে তার পায়জামার ভেতরে হাত ঢুকিয়ে ভোদায় হাত বোলাতে থাকি। সে বার বার বলছিলো আমার কেমন জানি হচ্ছে আমায় ছেড়ে দাও। কার কথা কে শোনে, আমি তার পায়জামা খুলে জিভ দিয়ে চাটা শুরু করলাম বিদেশি ভিডিও র মতো। সে উত্তেজিত হয়ে বলে ভালো লাগতেছে আরো বেশি এমন করো। তবে আমার বমি বমি লাগতেছিল। সেঠা বাদ দিয়ে বললাম এবারে তোমায় চুদবো।
আমার বাড়া তার ভোদায় সেট করলাম। প্রথমে যেতে চাচ্ছিল না তবে ঢুকিয়ে দিতেই সে ও মাগো করে ওঠে আর ভোদা দিয়ে রক্ত বের হয়ে আসে। আমি ভয় পেয়ে তাকে বলি চুপ থাকো। এই কথা কাউকে বলো না। আমি কালকে কারো থেকে শুনে নেবনি এমন কেন হলো। সে বলে সেটা কালকে এখন আগে চোদো আমার আর সহ্য হচ্ছে না। আমি সাড়া পেয়ে আস্তে আস্তে চোদা আরম্ভ করি কিন্তু ২ মিনিটেই আমার মাল আউট হয়ে তার ভোদা মেখে যায়।
পরের পার্টে আরো আছে।



No comments:
Post a Comment